Search

নকটার্ন

শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ওয়েবম্যাগ

Category

অনুবাদ

সালভাতোরে কোয়াসিমোদোর কবিতা :: অনুবাদ: আলম খোরশেদ

salvatore-quasimodoআধুনিক ঐতালিক কবিতার অন্যতম পথিকৃত সালভাতোরে কোয়াসিমোদোর জন্ম ১৯০১ সালে, সিসিলিতে। পেশায় পুরকৌশলী কোয়াসিমোদো একজন আদ্যন্ত স্বশিক্ষিত কবি। তাঁর সতীর্থ ও সমসাময়িক অপর দুই আধুনিক জ্যুসেপ্পে উনগারেত্তি ও ইউজেনিও মন্তালের মতো তিনি ঠিক সাহিত্যের প্রাতিষ্ঠানিক ছাত্র নন। তাঁর Continue reading “সালভাতোরে কোয়াসিমোদোর কবিতা :: অনুবাদ: আলম খোরশেদ”

Advertisements

হেনরি কার্তিয়ের ব্রেসোঁ’র সাক্ষাৎকার :: অনুবাদ: মাহমুদ আলম সৈকত

downloadহেনরি কার্তিয়ের ব্রেসোঁ (১৯০৮ – ২০০৪)। ৩৫সস ফিল্ম যুগের স্বনামধন্য ফরাসী আলোকচিত্রশিল্পী। স্ট্রিট ফটোগ্রাফি-জগতের নমস্য, পথ প্রদর্শক। ফটোগ্রাফি ভিত্তিক আন্তর্জাাতিক সংস্থা Magnum Photos -এর অন্যতম সংগঠক। পরাবাস্তববাদী ধারার শিল্পী, লুই আরাগঁ, আন্দ্রে ব্রিটনদের সহযোগী। আলোকচিত্র বিষয়ে বেশ খুঁতখুঁতে স্বভাবের ছিলেন, জীবনে একটি ছবিও তোলেন নি ফ্ল্যাশ ব্যবহার করে! বিশ্বাস করতেন, একটি ছবি তৈরী হয়ে ওঠে ভিউফাইন্ডারে, ডার্করুমে নয়। বর্ণিল রঙের প্রতি এক দুর্বোধ্য অনাস্থা সারাজীবন বয়ে বেরিয়েছেন ব্রেসোঁ, ফলে সাদা-কালোই তাঁর ছবির ভাষা। নিভৃতচারী, স্বল্পভাষী, প্রচারের আলোকে চিরকাল ভয় পাওয়া মানুষ এই ব্রেসোঁ। স্ট্রিট ফটোগ্রাফির পাশাপাশি আগ্রহ ছিলো পোর্ট্রটে-এ। পেইন্টিং-এ মজেছিলেন, পছন্দের মাধ্যম ছিল তৈলচিত্র। রেনেসাঁ যুগের মহান শিল্পীদের কাজ দ্বারা হয়েছেন দারুণ প্রভাবিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফরাসী বাহিনীর ফিল্ম এন্ড ফটো  বিভাগে কর্পোরাল হিসেবে কাজ করেছেন। মহাত্মা গান্ধী, সিমন দ্য বুভোয়া, জাঁ পল সার্ত্রে, স্যামুয়েল বাকেট, আলবেয়ার কামু, মার্চেল দুশাম্প, ট্রুমান কাপোয়তে, পল এলুয়ার, উইলিয়াম ফকনার, আলবের্তো গিয়াকোমেত্তি, হেনরি মাতিস, আর্থার মিলার, পাবলো নেরুদা, মেরিলিন মনেরো, পাবলো পিকাসো, এজরা পাউন্ড, জাঁ রেনোয়াসহ আরও বহু বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের ছবি তুলেছেন তিনি। জিতেছেন গ্রাঁ প্রিঁ, হ্যসলবল্ড এওয়ার্ড, ওভারসিজ প্রেস ক্লাব অব আমেরিকা এওয়ার্ড (এই এওয়ার্ডটি তিনি চার বার জেতেন) সহ আরও নানা পুরষ্কার। নিম্নোক্ত আলাপচারিতাটি ১৯৫৮ সালে গৃহীত। ওয়েবজিন এএসএক্স (আমেরিকান সাব-আর্ব এক্স)-এর জানুয়ারি ২০১২ সংখ্যা থেকে আলাপচারিতাটির অনুবাদ করেছেন মাহমুদ আলম সৈকত।  Continue reading “হেনরি কার্তিয়ের ব্রেসোঁ’র সাক্ষাৎকার :: অনুবাদ: মাহমুদ আলম সৈকত”

কার্লোস ফুয়েন্তেস’র সাক্ষাৎকার :: ভাষান্তর : অজিত দাশ

Legado_de_Carlos_Fuentes_9
‘গণতন্ত্র এমন সস্তা কিছু নয় যে চাইলেই আমদানী করা যায় ’

[ কার্লোস ফুয়েন্তেস (১৯২৮-২০১২) স্পেনীয় ভাষা সাহিত্যের জগতে কালজয়ী কথা সাহিত্যিক। ১৯৮০ দশকের আগে পর্যন্ত ফুয়েন্তেস-এর খ্যাতি ও প্রচার ছিল স্পেনীয় ভাষাভাষী দেশগুলিতেই সীমাবদ্ধনিয়ইয়র্ক শহরের সুখ্যাত “প্যারিস রিভিউ” সাহিত্যপত্রিকা তাঁর একটি গভীর, মননশীল ও সুদীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছিলেন। বলতে গেলে, ইংরেজিভাষী সুধী পাঠকদের কাছে তাঁর প্রথম ও বিস্তৃত আত্মপ্রকাশ। ধ্রুপদী সাহিত্যিকরাই তাঁর প্রিয় এবং পথপ্রদর্শক; ফরাসি কথাসাহিত্যিক মার্সেল প্রুস্ত তাঁর জীবনের ধ্রুবতারা। তার প্রথম উপন্যাস  লা রেহিওন মাস ত্রান্‌সপারেন্তে” অর্থাৎ “যে অঞ্চলে আকাশ পরিষ্কার” প্রকাশিত হয় ১৯৫৮ সালেফুয়েন্তেসর বয়স তখনও তিরিশ ছোঁয়নি। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সফলতা লাভ করে। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস “লাস বুয়েনাস কনসিয়েনসিয়াস” (“উত্তম বিবেক”) আকারে ছোট ১৫০ পৃষ্ঠা এবং অনেকের মতে প্রথাসিদ্ধ মার্কসবাদী এই উপন্যাসে লেখকের রচনাশৈলির বৈচিত্রের প্রকাশ ঘটে। লেখকের কালজয়ী, রূপকাত্মক উপন্যাস “লা মুয়ের্তে দে আর্তেমিও ক্রুস” (“আর্তেমিও ক্রুসের মৃত্যু”) প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে। আধুনিক লাতিন আমেরিকার সাহিত্যের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় গ্রন্থ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উপন্যাসটি অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। উপন্যাসটির আংশিক অনুপ্রেরণা অরসন ওয়েলস পরিচালিত সুখ্যাত চলচ্চিত্র “নাগরিক কেইন” (“সিটিজেন কেইন“)চলচ্চিত্রের অনেক কলাকৌশলের ব্যবহার রয়েছে উপন্যাসটিতে। ফুয়েন্তেসের উপন্যাস দ্যা ওল্ড গ্রিংগো ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হলে মার্কিন বেস্ট সেলারের তালিকায় স্থান পায়।  জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন সক্রিয়, মুখর। ১৫ই মে তাঁর মৃত্যুর দিনেই রিফর্মাসংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় ফ্রান্সের নতুন সরকার ও তাঁর সমাজতন্ত্রী নেতার বিষয়ে লেখকের প্রবন্ধ।  ফুয়েন্তেসের নাম গত এক দশক ধরে নোবেল বিষয়ে জল্পনা-কল্পনার শীর্ষে থাকলেও  শেষ পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার পাননি তিনি।]   Continue reading “কার্লোস ফুয়েন্তেস’র সাক্ষাৎকার :: ভাষান্তর : অজিত দাশ”

সদ্‌গুরু প্রসঙ্গে ওশো এবং কবির :: অনুবাদ : তোরিফা নাজমিনা মণি

Untitledএই লেখাটি কবিরের দুটো গান নিয়ে রজনীশ ওশো’র আলোচনা। আসুন লেখাটি পড়ার আগে সংক্ষেপে কবির সম্পর্কে দুটো কথা জানা যাক। কবির ১৫ শতকের একজন ভারতীয় মরমি কবি এবং সন্ত। যাঁর লেখা হিন্দু ভক্তিগীতিকে প্রভাবিত করেছে এবং তাঁর শ্লোক শিখ ধর্মের আদি গ্রন্থে পাওয়া যায়। শোনা যায় তাঁর জন্ম মুসলিম পরিবারে, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁর গুরু রামানন্দ দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত ছিলেন। অনেকে এও দাবী করেন যে তাঁর জন্ম মুসলিম পরিবারে হতেই পারে না। তাঁর জীবিত কালে অধ্যাত্মবাদী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি হিন্দু এবং মুসলিম উভয়েরই অপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর আবার হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের উভয়েই কবিরকে তাদের নিজেরদের সম্প্রদায়ের বলে দাবী করে থাকে। আরো অনেক মহান গুরুগণের মত তাঁকেও তাঁর কথাগুলো বলার জন্য কবিতার আশ্রয় নিতে হয়েছিল, যে সব কবিতা আজ গান হয়ে গীত হয়ে আসছে তাঁর ভক্তকুল পরম্পরায়। এবং কেন তাঁকে কবিতার আশ্রয় নিতে হয়েছিল সেটা ঋদ্ধ পাঠক মাত্রই বুঝবেন আশা করি।

তাহলে কে এই কবির?সে প্রশ্ন আমারও। তাঁর অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছেন অনেকেই। তাই কিছুদিন আগে এক কনিষ্ঠ বন্ধুর কাছে পাওয়া দুটো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্রের লিঙ্ক এই লেখার শেষে দেয়া হলো। আশা করি কিছুটা হলেও তা আপনাদের কবির সম্পর্কে তৃষ্ণা নিবারণে সহায়ক হবে। এবং বর্তমান ধর্মীয় অস্থিতিশীলতার সময়ে তিনি কতটা প্রাসঙ্গিক তা উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন।

Continue reading “সদ্‌গুরু প্রসঙ্গে ওশো এবং কবির :: অনুবাদ : তোরিফা নাজমিনা মণি”

আলোকচিত্র সবসময়ই সত্য কথা বলে, আর এই জন্যেই এটি কোনওমতেই শিল্প নয় : আরা গুলের :: মাহমুদ আলম সৈকত

s-d9ccdb767c2d70e0d4eb918191456f26675f5ba8jpgআরা গুলের বিখ্যাত তুর্কি আলোকচিত্রী অর্ধশতাব্দী জুড়ে তাঁর কর্মযজ্ঞ তিনি ফটো সাংবাদিক না কি আলোকচিত্রী শিল্পী, এই দ্বন্দ বহুচর্চিত নিজেই জিইয়ে রেখেছেন, আর তার ভক্তদের মধ্যে তৈরী করে দিয়েছেন এক আশ্চর্য ঘোর ভীষন মর্জিমাফিক চলা মানুষ, আলটপকা কথায় পর্যুদস্ত করেন শ্রোতাদের প্রথমপাঠে মনে হতে পারে, এসবই অসংলগ্ন কথামালা কিন্তু যতই পাঠক অনুধাবনের চর্চায় যাবেন, ধরতে পারবেন তাঁর অন্তর্গত কথার অনুরণন একই ভাবনা ভাবছেন তিনি; তার ছবির জন্য, জীবনযাপনের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য, দর্শনের জন্য ফলে অনবদ্য এই পাঠ আগ্রহী আলোকচিত্রীদের জন্য যেমন প্রয়োজনীয়, তেমনি শিল্পবোদ্ধা বা অপরাপর মাধ্যমের চিন্তাশীল ব্যক্তির জন্যও সমানভাবে ক্রিয়াশীল Continue reading “আলোকচিত্র সবসময়ই সত্য কথা বলে, আর এই জন্যেই এটি কোনওমতেই শিল্প নয় : আরা গুলের :: মাহমুদ আলম সৈকত”

মদ, যৌবন এবং কবিতা :গগন রিস্ম :: অনুবাদ: মাহমুদ আলম সৈকত

 

courtesan_with_wine_wj05মদ, যৌবন এবং কবিতা;উর্দু কাব্যের অতিপুরোনো অপব্যাখ্যা

গল্পটা আমি প্রায়ই করে থাকি, বিশেষত নতুন ব্যাচে যারা আমার ক্লাসে থাকে তাদের সাথে। গল্পটা এই – হরকিষাণ লাল স্যারের প্রথম ক্লাসেই একজন ছাত্র প্রশ্ন ছুঁড়ে বসল, উর্দু কাব্য মদ আর যৌবনের মত্ততা ছাড়া আর কিছুই না, আছে কি? লাল স্যার ছিলেন পাঞ্জাব সরকারকর্তৃক চালুকৃত উর্দু ডিপ্লোমা কোর্সের ঝানু শিক্ষক, স্মিত হেসে স্রেফ দুটো পঙক্তি আওড়ালেন-

উসকে প্যয়মানে মে কুছ অউর, মেরে প্যয়মানে মে কুছ অউর
দেখনা সাকি হো না যায়ে, তেরে ম্যয়খানে মে কুছ অউর
[তোমার ভাগ্যে কি, কি-ই বা লেখা আছে আমার বরাতে
সামলে থেকো হে সাকি, উল্টাপাল্টা কিছু না হোক তোমার ডেরাতে ]

সঙ্গে সঙ্গেই সেই ছাত্রটি এমন ভঙ্গিতে উঠে দাঁড়াল যেন, দ্যাখেছ…বলেছিলাম না! এরপর লাল স্যার যে কথাটা বললেন বলাবাহুল্য অজ্ঞ পাঠকের এমন প্রশ্নের জন্য ওটাই ছিল স্বতঃসিদ্ধ উত্তর, ‘উর্দু কবিতাকে অক্ষরে অক্ষরে নিও না – যে অক্ষর তুমি পড়ছ, তাতে যা বলা আছে এ তার চাইতেও বেশি কিছু। এখানে প্যয়মানা  কেবল পানপাত্রই নয়, বরং নিয়তি; ম্যয়খানাকে শুঁড়িখানাই ভেবোনা, এ বরং গোটা ব্রহ্মাণ্ড, সাকি শুধুই পরিচারক/পরিচারিকা নয় এখানে, সে স্বয়ং ঈশ্বর। আর কবি সেই স্রষ্টার কাছে ছুঁড়ে দিলেন অতিপ্রাচীন এক দ্বন্দ, যে, কেন আমার ভাগ্যই এত অপ্রসন্ন যা অন্যের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে বা দরাদরিতে নামতে হবে? কবি, এক অর্থে, স্রষ্টাকেই সাবধান করে দিচ্ছেন যেন তাঁর সাথে সদাচরণ করা হয়; অন্যথায় প্রতিহিংসা বশতঃ হয়ে ধরাধামে একটা অনাসৃষ্টি ঘটিয়ে ফেলবেন কবি।’ এমন একটি উদ্ভেদে প্রশ্নকর্তা স্বভাবতই বাকরহিত হল।

 

Continue reading “মদ, যৌবন এবং কবিতা :গগন রিস্ম :: অনুবাদ: মাহমুদ আলম সৈকত”

‘ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম’ :: সারওয়ার চৌধুরী

249147_10151721529318185_491360206_n

যতক্ষণ না অবচূর্ণনের রেণু হই….

কোনিয়া, ১২ জুন, ১২৪৫ খৃস্টাব্দ। (আমি শামস তাবরিজি বলছি।) উন্মাতাল ঈমানদার তারা! রমজান মাসে রোজা রাখলেন, কোরবানীর ঈদে ভেড়া জবাই করলেন পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবার উদ্দেশ্যে, জীবনে একবার যদি-বা হজ্বের সুযোগ আসে, তা গেলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লেন, কিন্তু এইসব বন্দেগীর সাথে যদি ভালোবাসাবোধ না থাকে, তাহলে ওসব কষ্টের মানে কি? ঈমান একটি শব্দ, ভাষা মাত্র, এর কেন্দ্রে ভালোবাসা না থাকলে, তা নড়বড়ে এবং প্রাণহীন হয়, ফাঁপা ও শূন্যগর্ভ হয় – সত্যিকার কোনো উপলব্ধি এতে আসে না। তারা কি মনে করেন আল্লাহ মক্কা মদীনায় বা কোনো স্থানীয় মসজিদে থাকেন? কেমনে তারা আল্লাহকে কোথাও সীমাবদ্ধ আছেন ভাবেন? (এখানে শামসের ভাষ্য এসেছে ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে, গড বলছেন – ‘নাইদার মাই হেভেন নর মাই আর্থ এমব্রেসেস মি, বাট দ্য হার্ট অব মাই বিলিভিং সার্ভেন্ট ডাজ এমব্রেস মি।’ এই দলিলটা Continue reading “‘ভালোবাসার চল্লিশ নিয়ম’ :: সারওয়ার চৌধুরী”

ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’ এ কবিতার ব্যবহার : দেবায়ুধ চট্টোপাধ্যায় :: সুপ্রভা জুঁই

0[যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী  দেবায়ুধ চট্টোপাধ্যায়ের ইংরেজি লেখা থেকে বাংলায় ভাবানুবাদ]

জয় গোস্বামী তাঁর এক লেখায় বলেছিলেন, লেখক যতটা ভাবেন, আসলে তার খুব কমই তিনি লিখতে পারেন। প্রায় সব লেখকের কাছেই এই কথা শোনা যায়। আমি-ই যে প্রথম এটা আবিষ্কার করলাম তেমন নয়। এটা সকলেরই জানা এবং খুবই সত্য কথা।

একইভাবে একজন মানুষ যতটা কল্পনা করতে পারে তার খুব সামান্যই সে স্মরণ করতে পারে। এইরকম কিছু অনুস্মরণপুস্তকের পুনরাবৃত্তিকরণের মধ্য দিয়ে কবিতার জন্ম হয়। কবিতা নিজেই তাকে সৃষ্টি করে, তার সীমা নির্দেশ করে এবং সেই পরিবেশের সাথে সংঘর্ষ করে।   Continue reading “ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’ এ কবিতার ব্যবহার : দেবায়ুধ চট্টোপাধ্যায় :: সুপ্রভা জুঁই”

আঙুলের ভেতর ঢুকে যাওয়া প্রশস্ত নদী: জর্জ সেফেরিস-এর কবিতা ও সাক্ষাৎকার :: কুমার চক্রবর্তী

images[১৯০০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি  স্মিরনায় স্তেলিয়োস ও দেসপো সেফেরিয়াদিস-এর ঔরসে জর্জ সেফেরিস জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৪ সালে তিনি তাঁর পরিবারের সাথে স্মিরনা থেকে অ্যাথেন্সে চলে আসেন এবং এখানেই তিনি মাধ্যমিক স্তরের পাঠ সমাপ্ত করেন। ১৯১৮-২৪ পর্যন্ত উচ্চ শিক্ষার্থে তিনি প্যারিসে অবস্থান করেন এবং আইনে ডিগ্রি নেন। ১৯২৬ সালে তিনি গ্রিক পররাষ্ট্র-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি নেন। এর পর নানা দেশে তিনি তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৭-৬২ পর্যন্ত ছিলেন গ্রেট ব্রিটেনে রাষ্ট্রদূত। ১৯৬০ সালে তিনি সাম্মানিক ডক্টর অব লিটারেচারে ভূষিত হন। ১৯৬২ সালে পান ফয়েল পুরস্কার। ১৯৬২ সালে তিনি কূটনৈতিক চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হন এবং আথেন্সে বসবাস করতে থাকেন।  ১৯৬৩ সালে  তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, তিনিই প্রথম গ্রিক যিনি এ পুরস্কার পান। ১৯৭১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর  তিনি মারা যান। তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অসংখ্য মানুষের সমাগম হয়, যা অবশেষে স্বৈরশাসক পাপাদোপাউলোস-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রূপ নেয়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ২০ মার্চ স্বৈরশাসক পাপাদোপাউলোসকে নিন্দা জানিয়ে তিনি প্রতিবেদন দিয়েছিলেন। তাঁর কবিতাগ্রন্থগুলো হলো : Mythistorema, Gymnopaidia, Book of Exercises, Logbook-1, Logbook-11, Logbook-111, Turning Point, The Cistern, The Thrush|

Continue reading “আঙুলের ভেতর ঢুকে যাওয়া প্রশস্ত নদী: জর্জ সেফেরিস-এর কবিতা ও সাক্ষাৎকার :: কুমার চক্রবর্তী”

Blog at WordPress.com.

Up ↑

%d bloggers like this: